বৃহস্পতিবার, ১৯ অক্টোবর ২০১৭, ৪ কার্তিক ১৪২৪, ২৮ মুহাররম, ১৪৩৯ | ০৬:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
  • শনিবার দৃশ্যমান হবে পদ্মা সেতু
  • বিশ্ব আইটি সম্মেলনে পুরস্কার পেল বিআইটিএম
  • নির্মাণের ২৯ বছর পর মুক্তি পাচ্ছে যে ছবি
  • খেলার খবর ফিরলেন নাসির-শফিউল, বাদ মাহমুদউল্লাহ-মুমিনুল
বুধবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ০৬:৫৫:২৬ অপরাহ্ন Zoom In Zoom Out No icon

জঙ্গিদের চোখ পড়েছে মিয়ানমারে!

এমন একটি দাবি তুলেছে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। তাদের দাবি, মিয়ানমারের ভিতরে জঙ্গি হামলা চালানোর জন্য বাইরের একটি দেশে বসে ষড়যন্ত্র চালানো হচ্ছে এবং এই উদ্দেশ্যে জঙ্গিদের তালিমও দেওয়া হয়েছে।

প্রশাসনিক রাজধানী নেপিদও থেকে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর জারি করা একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যখন 'বাংলাভাষী' আরসা জঙ্গিরা রাখাইন প্রদেশের উত্তরাঞ্চলে হামলা চালাচ্ছে এবং চলতি সেপ্টেম্বর মাসে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনও বসতে যাচ্ছে - তখনই বিদেশের মাটিতে বসে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে হামলা চালানোর এই ছক কষা হচ্ছে।

যে দেশে বসে এই ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে সেই দেশটি সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন করে থাকে এবং সেই দেশে কর্মরত মিয়ানমারের কিছু লোককে এই ষড়যন্ত্রে কাজে লাগানো হচ্ছে বলেও দাবি করা হয়েছে। তবে সেই দেশটির নাম উল্লেখ করা হয়নি মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বিবৃতিতে।

এই বিবৃতির ভাষ্য অনুযায়ী, ষড়যন্ত্রকারী সেই দেশটি থেকে মিয়ানমারের কিছু লোককে জঙ্গি প্রশিক্ষণ নিতে মাসচারেক আগে তৃতীয় আরেকটি দেশে পাঠানো হয়েছিল বলেও তারা জানতে পেরেছে। এই তালিমপ্রাপ্ত জঙ্গিরা ঘরে বানানো বোমা-বিস্ফোরক আর মাইন তৈরিতে দক্ষ হয়ে ফিরে এসেছে। এখন তারা মিয়ানমারে জঙ্গি হামলা চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, রাখাইন প্রদেশের বুথিডং-মংটও অঞ্চলে 'বাঙালি ইস্যু'তে যা ঘটছে, সে ব্যাপারে সারা দুনিয়ার দৃষ্টি আকর্ষণ করতেই এই জঙ্গি হামলাগুলোর ছক কষা হচ্ছে। আর এই সন্ত্রাসবাদী হামলাগুলো রাখাইন প্রদেশে নয় - বরং নেপিদও, ইয়াঙ্গন, মান্দালে বা মওলামাইয়িনের মতো দেশের বড় বড় শহরেই করার পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে সেনাবাহিনী জানতে পেরেছে।

এই গোয়েন্দা তথ্যের পটভূমিতে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী সারা দেশের সব গ্রাম ও শহরের বাসিন্দাদের 'বাংলাভাষী আরসা সন্ত্রাসবাদী'দের সন্দেহজনক গতিবিধির ব্যাপারে সতর্ক করে দিয়েছে।

সেনাবাহিনী বলছে, নাগরিকদের যদি এরকম কোনও সন্দেহজনক কার্যকলাপ চোখে পড়ে - কিংবা তারা খবর পান কোথাও বেআইনিভাবে বিস্ফোরক দ্রব্য, বিশেষ করে অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট মজুত করা হচ্ছে - তাহলে যেন অবিলম্বে তারা কাছাকাছি সেনা ইউনিট, পুলিশ থানা কিংবা সেনা ছাউনিতে খবর দেন।

আরো খবর